বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল কর্তৃক প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ৫টি প্রোগ্রামের অ্যাক্রেডিটেশন প্রদান: এক ঐতিহাসিক সাফল্য ।
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক অর্জন করেছে। বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার মাননিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল (বিএসি) প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির স্নাতক পর্যায়ের ৫টি একাডেমিক প্রোগ্রামের অনুকূলে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। গত ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তারিখে স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ), বি.এ. (অনার্স) ইন ইংলিশ, ব্যাচেলর অব লজ (এলএল.বি. অনার্স), বি.এস.এস. (অনার্স) ইন ইকোনমিক্স এবং বি.এসসি. ইন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) প্রোগ্রামসমূহের অনুকূলে উক্ত সনদ প্রদানের সিদ্ধান্তের কথা জানান।
এই অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রাপ্তি প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির শিক্ষা, গবেষণা, পাঠ্যক্রম, অবকাঠামো ইত্যাদির গুণগত মানের নিশ্চয়তা ও প্রশাসনিক দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক মান আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উত্তরণের একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
এই সাফল্যে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ গভীর আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছেন।
মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির বলেছেন, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল থেকে আমাদের ৫টি প্রোগ্রামের অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রাপ্তি প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির জন্য অত্যন্ত গৌরবের ও আনন্দের একটি অর্জন। এই স্বীকৃতি আমাদের দীর্ঘদিনের পরিকল্পিত পরিশ্রম, একাডেমিক নিষ্ঠা এবং মানোন্নয়নের নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টার ফল। আমি বিশ্বাস করি, এই অর্জন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাবে। আমাদের শিক্ষার্থীরা এর মাধ্যমে মানসম্পন্ন শিক্ষা ও বিশ্বমানের ডিগ্রির স্বীকৃতি পাবে, যা তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবন ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই সাফল্যের পেছনে যাঁরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অবদান রেখেছেন—আমাদের শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির এই অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অর্জিত মান ধরে রাখা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য প্রোগ্রামের অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রাপ্তির কার্যক্রম সম্প্রসারণে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
Related News
Day-long Workshop Organized by IQAC to Enhance Staff Skills at Premier University.
বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল কর্তৃক প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ৫টি প্রোগ্রামের অ্যাক্রেডিটেশন প্রদান: এক ঐতিহাসিক সাফল্য ।
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক অর্জন করেছে। বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার মাননিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল (বিএসি) প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির স্নাতক পর্যায়ের ৫টি একাডেমিক প্রোগ্রামের অনুকূলে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। গত ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তারিখে স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ), বি.এ. (অনার্স) ইন ইংলিশ, ব্যাচেলর অব লজ (এলএল.বি. অনার্স), বি.এস.এস. (অনার্স) ইন ইকোনমিক্স এবং বি.এসসি. ইন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) প্রোগ্রামসমূহের অনুকূলে উক্ত সনদ প্রদানের সিদ্ধান্তের কথা জানান।
এই অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রাপ্তি প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির শিক্ষা, গবেষণা, পাঠ্যক্রম, অবকাঠামো ইত্যাদির গুণগত মানের নিশ্চয়তা ও প্রশাসনিক দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক মান আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উত্তরণের একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
এই সাফল্যে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ গভীর আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছেন।
মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির বলেছেন, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল থেকে আমাদের ৫টি প্রোগ্রামের অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রাপ্তি প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির জন্য অত্যন্ত গৌরবের ও আনন্দের একটি অর্জন। এই স্বীকৃতি আমাদের দীর্ঘদিনের পরিকল্পিত পরিশ্রম, একাডেমিক নিষ্ঠা এবং মানোন্নয়নের নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টার ফল। আমি বিশ্বাস করি, এই অর্জন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাবে। আমাদের শিক্ষার্থীরা এর মাধ্যমে মানসম্পন্ন শিক্ষা ও বিশ্বমানের ডিগ্রির স্বীকৃতি পাবে, যা তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবন ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই সাফল্যের পেছনে যাঁরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অবদান রেখেছেন—আমাদের শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির এই অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অর্জিত মান ধরে রাখা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য প্রোগ্রামের অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রাপ্তির কার্যক্রম সম্প্রসারণে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।